বিএটিবিসির ১৫০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের (বিএটিবিসি) পরিচালনা পর্ষদ।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেডের (বিএটিবিসি) পরিচালনা পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ লভ্যাংশের সুপারিশ করা হয়েছে। বিএটিবিসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত ডিসেম্বরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল। আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩২ টাকা ৪২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৩ টাকা ১১ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০৬ টাকা ৮৮ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে বিএটিবিসির পরিচালনা পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৩ টাকা ১১ পয়সা, আগের হিসাব বছর যা ছিল ৩৩ টাকা ১০ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯৯ টাকা ৩৩ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে বিএটিবিসির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৩ টাকা ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৭ টাকা ৭২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৭৬ টাকা ২৭ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ২৭৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ১৫০ শতাংশ নগদ চূড়ান্ত ও বাকি ১২৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫০০ শতাংশ চূড়ান্ত লভ্যাংশ দিয়েছিল বিএটিবিসি। এর মধ্যে ৩০০ শতাংশ নগদ ও ২০০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ।

বিএটিবিসি ১৯৭৭ সালে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫৪০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধনও একই। রির্জাভে রয়েছে ৪ হাজার ৮২৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ৫৪ কোটি। এর মধ্যে ৭২ দশমিক ৯১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, দশমিক ৬৪ শতাংশ বাংলাদেশ সরকার, ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ৪ দশমিক ৫২ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

আরও